About



Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.

Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.

Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.

Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.Lorem Ipsum is placeholder text commonly used in the graphic, print, and publishing industries for previewing layouts and visual mockups.

‘‘দেশের ফুটবল অ্যাকাডেমিগুলিতে বিদেশি কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলারের সংখ্যা ৩০ শতাংশে বেঁধে দেওয়া উচিত, এতেই সুরক্ষিত থাকবে ‘আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ঐতিহ্য’। ১২-১৩ বছর বয়স থেকেই এই সংরক্ষণ চালু করা উচিত। এ ভাবেই জাতীয় দলে কৃষ্ণাঙ্গদের সংখ্যা কমাতে পারব আমরা।’’ ইউরো ও বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি সুইপার লঁরা ব্লাঁ-এর এই প্রস্তাব স্বাভাবিক ভাবেই মেনে নেয়নি ফরাসি ফুটবল সংস্থা। উল্টে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের দায়ে দেশজোড়া সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি।
মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন লঁরা ব্লাঁ । তবে পরিস্থিতি পাল্টায়নি। যুদ্ধের পৃথিবীতে ইউরোপে আছড়ে পড়ছে উদ্বাস্তুর ঢল। উদ্বাস্তুর ঢল আরও বেশি করে আছড়ে পড়ছে ফুটবল মাঠে। কখনও যুদ্ধের জন্য ঘরছাড়া, কখনও বা স্রেফ ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের খোঁজে ক্লাব বদলের মত দেশবদল। আরও বেশি করে মিলে যাচ্ছে মহাদেশ, ভাঙছে সীমান্ত, বদলে যাচ্ছে জার্সির রং। সেই রঙে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠছে বিশ্বকাপ।
‘অভিবাসী’ ফুটবলারদের ইউরোপের দেশের হয়ে খেলা আটকে দেওয়া এখন অনেক দূরের কথা। উল্টে বলা যেতে পারে, তাঁদের হাত ধরেই ইউরোপ এখন বিশ্ব ফুটবলের ভাগ্যবিধাতা। রাশিয়া বিশ্বকাপে ইউরোপের প্রধান দশটি দেশের ২৩০ জন ফুটবলারদের মধ্যে ৮৩ জনই ‘অভিবাসী’ ফুটবলার। ফরাসি ফুটবল দলের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা আরও আকর্ষণীয়, ৭৮.৩ শতাংশই সেখানে অভিবাসী। জাতীয় দলে অভিবাসী ফুটবলারদের সংখ্যায় ফ্রান্সের খুব কাছেই আছে ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড।

অভিবাসীরা সবাই যে আশ্রিত দেশের হয়ে খেলছেন, এমনটা নয়। সুইডেনেই জন্ম, সুইডেনের অ্যাকাডেমিতেই ফুটবলে হাতেখড়ি। ২০১৭-তে সুইডেনের জার্সি গায়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলে পা রাখেন প্রতিভাবান স্ট্রাইকার সামান ঘোদ্দোস। বিশ্বকাপের মূলপর্বে ইরান যোগ্যতা অর্জন করার পরই তাঁকে ফোন করেন ইরানের জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার। ঘোদ্দোস আপাদমস্তক সুইডেনে বড় হলেও তাঁর বাবা-মা ইরানি। ঘোদ্দোস ইরানে দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসী। সেই খবর পৌঁছেছিল তেহরানে। তারপরই ডাক আসে ইরানের হয়ে খেলার। আর তাতে সাড়া দেন ঘোদ্দোস। ২০১৭-তেই জীবনে প্রথম বার ইরানে পা রাখেন তিনি আর  রাশিয়া বিশ্বকাপে তাঁকে খেলতে দেখা যায় ইরানের হয়েই। সুইডেনের হয়ে খেলার প্রস্তাব এলেও তা ফিরিয়ে দেন তিনি। ঘোদ্দোস যদিও জানাচ্ছেন, ‘‘আমার শোবার ঘরে দু’টি জাতীয় পতাকা টাঙানো থাকে। একটি সুইডেনের, অন্যটি ইরানের। আমার কাছে এটা ক্লাব পছন্দ করার মতো একটা কিছু, তার বেশি না।’’
পেপে, দিয়েগো কোস্তার ক্ষেত্রে পরিস্থিতিটা আবার অন্য রকম। দু’জনেরই জন্ম, বেড়ে ওঠা ব্রাজিলে। ফুটবল পাঠও সেখানেই। তবে দেশের হয়ে খেলার প্রশ্নে কোথাও ব্রাজিল নেই। দিয়েগো কোস্তা খেলেন স্পেনে। পেপে আবার গায়ে নিয়েছেন পর্তুগালের জার্সি। ইউরোপের দেশগুলিতে ব্রাজিলের ফুটবলারদের অনুপ্রবেশ আটকাতে কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন প্রাক্তন ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্ল্যাটার। তবে আইনি জটিলতা কাটিয়ে তা বেশি দূর এগোয়নি। ইউরোপীয় দেশগুলির উদার অভিবাসন নীতি এ ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

Ad 5